
রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ, মুলি আগ নামেও পরিচিত, 1906 সালে মালদ্বীপের সুলতান, সুলতান মুহাম্মদ শামসুদ্দিন তৃতীয়ের বাসভবন হিসাবে নির্মিত হয়েছিল। বিল্ডিংটি ইতালীয় স্থপতি জি লুসিনি দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছিল এবং ব্রিটিশ-শৈলীর আলংকারিক উপাদান সহ নিওক্লাসিক্যাল স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য রয়েছে।বছরের পর বছর ধরে, ভবনটিতে অনেক পরিবর্তন এবং সম্প্রসারণ হয়েছে। 1936 সালে, প্রাসাদটি মালদ্বীপের ব্রিটিশ গভর্নরের থাকার জন্য পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। 1953 সালে, প্রাসাদটিকে একটি বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা হয় এবং পরবর্তীতে 1965 সালে দেশটির স্বাধীনতার পর মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির বাসভবন হিসাবে পরিবেশন করা হয়।রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ সম্পর্কে সবচেয়ে পরিচিত উপাখ্যানগুলির মধ্যে একটি হল এর ভূগর্ভস্থ কাঠামো নিয়ে। প্রাসাদটিকে মালে মসজিদের সাথে সংযুক্ত করার জন্য একটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ রয়েছে বলে কথিত আছে, যেটি সুলতান তার প্রতিদিনের প্রার্থনার জন্য ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ।প্রাসাদটিতে বহু শিল্পকর্ম এবং ঐতিহাসিক মূল্যের নিদর্শন রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রাচীন চিত্রকর্মের সংগ্রহ এবং মালদ্বীপের ইতিহাসের নথিভুক্ত ফটোগ্রাফের একটি বড় সংগ্রহ।রাষ্ট্রপতির প্রাসাদটি পুরুষদের অন্যতম শীর্ষ পর্যটন আকর্ষণ, এবং সাধারণত প্রজাতন্ত্র দিবস, স্বাধীনতা দিবস এবং রাষ্ট্রপতির জন্মদিনের মতো জাতীয় উদযাপনের সময় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এই দিনগুলিতে, দর্শকরা বিল্ডিংটি অন্বেষণ করতে পারে এবং এর স্থাপত্য, শিল্পকর্ম এবং বিলাসবহুল আসবাবপত্র দেখে বিস্মিত হতে পারে।রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ মালদ্বীপের ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং এটিকে দেশের ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর সৌন্দর্য এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব মালদ্বীপের সংস্কৃতি এবং ইতিহাস সম্পর্কে আরও জানতে ইচ্ছুক দর্শকদের জন্য এটি একটি অবশ্যই দেখার গন্তব্য করে তোলে।

